মদিনার মসজিদে নববী, যেখানে রয়েছে ইসলামের নবী ও প্রথম খলিফাদের কবর
দিনাজপুর টিভি ডেস্ক
আপলোড সময় :
২৮-০৩-২০২৫ ০৩:৩১:৩৮ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
২৮-০৩-২০২৫ ০৩:৩১:৩৮ অপরাহ্ন
মসজিদে নববী বা মদিনা গ্র্যান্ড মসজিদ মুসলমানদের কাছে দ্বিতীয় পবিত্রতম স্থান হিসাবে বিবেচনা করা হয়। ইসলাম প্রচারের শুরুর দিকে তৎকালীন কেন্দ্র মদিনায় এই মসজিদ তৈরি করা হয়েছিল। ইসলামের নবী মোহাম্মদ এই মসজিদের প্রথম ইমাম ছিলেন।
আজকের সৌদি আরবের মক্কা থেকে মদিনা-তৎকালীন ইয়াথরিবে হিজরতের পর প্রথম বছরে ইসলামের নবী এই মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন।
যাকে আরবি ভাষায় আল-মাসজিদ আল-নবাউইজ বলা হয়। এটি মদিনায় নির্মিত দ্বিতীয় মসজিদ।
এর আগে এখানে ক্যুবা মসজিদ ছিল, সাফিউর রাহমান আল-মুবাকারাকফুরি তার, ‘দ্য সিলড নেকটার’ বইতে এমনটা উল্লেখ করেন।
এটি এমন এক স্থান যেখানে দশ লাখ বছরের পুরনো ইসলামিক স্মৃতিস্তম্ভ রয়েছে।
ইসলামি ঐতিহ্য অনুসারে মসজিদে নববিতে যে নামাজ আদায় করা হয়, তা আল-মসজিদ-আল-হারাম (কা’বা) ব্যতীত অন্য যেকোনো মসজিদে এক হাজার নামাজ আদায় করার চাইতেও উত্তম।
ইসলামের নবী এবং তাঁর দু'জন ঘনিষ্ঠ সহচরের (আবুবকর ও উমর) সমাধি এখানে রয়েছে। সেই সাথে নবীর অন্যান্য স্ত্রীর বাড়িঘর এবং রওদা (জান্নাতের উদ্যানের ঝর্ণা) অবশেষে মসজিদের ভেতরে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। শত শত বছর ধরে মসজিদটি সম্প্রসারণের কারণেই তা সম্ভব হয়েছে।
সহীহ আল বুখারীর আবু-হুরায়রার মতে, নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "আমার বাড়ী এবং মিম্বরের মাঝে জান্নাতের বাগানের একটা অংশ আছে"।
প্রায় ১৪ শত বছর আগে অর্থাৎ ৬৩২ খ্রিষ্টাব্দে এই মসজিদটি ইসলামের নবীর বাড়ির কাছে নির্মাণ করা হয়।
১,৪০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে কয়েক দফায় নকশা পরিবর্তন ও সম্প্রসারণের মধ্য দিয়ে চলে এর নির্মাণ কাজ।
এর মধ্যে সবচেয়ে বড় নির্মাণ কাজটি পরিচালনা করেছিলেন প্রয়াত বাদশাহ আবদুল্লাহ বিন আবদুল আজিজ, যা এখনও অব্যাহত রয়েছে।
চলমান সম্প্রসারণ কাজের মধ্যেই প্রতি বছর লাখ লাখ দর্শনার্থী এবং হজযাত্রী মসজিদটিতে ভিড় করেন।
ধারণা করা হয়, পুরো কাজ শেষ হওয়ার পর এই মসজিদে প্রায় ১৮ লাখ মুসল্লি একসাথে নামাজ আদায় করতে পারবেন।
নিউজটি আপডেট করেছেন : Dinajpur TV
কমেন্ট বক্স